ক্ষমার আদর্শ গঠনে পরিবারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। যে পরিবারে মা-বাবা ক্ষমাশীল আচরণ করে সে পরিবারে সন্তানের মধ্যেও এরূপ আচরণ পরিলক্ষিত হবে। পরিবারে সকল সদস্য একই প্রকৃতির আচরণ করে না। একই পরিবারের সদস্যদের আচরণের ধরণও ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। কেউ একটু সহজ ও সরল প্রকৃতির আবার কেউবা জটিল প্রকৃতির। কোনো কারণে মতবিরোধ সৃষ্টি হলে পরিবারে একেক জনের প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করার ধরনও একেক প্রকৃতির। এ ক্ষেত্রে মা-বাবাকে অত্যন্ত সচেতন হতে হয়। পরিবারে যারা সর্বদাই অন্যায় ও রূঢ় আচরণ করে তাদের প্রতি মা-বাবাকে ধৈর্য ও সহনশীল হতে হয়। ন্যায় ও অন্যায়ের পার্থক্য অন্যায়কারীর নিকট তুলে ধরতে হয়। তাদের আচরণে পরিবর্তন আনতে ছোট ছোট অন্যায়গুলো ক্ষমা করে দিতে হয়। জীবনে অন্যায় আচরণের প্রভাব সম্পর্কে তাঁদের নিকট বিভিন্ন দৃষ্টান্ত তুলে ধরতে হয়। সমাজ জীবনে যারা ক্ষমাশীল হিসেবে শ্রদ্ধার পাত্র তাদের জীবনের ঘটনা সন্তানদের মাঝে গল্পের ছলে বলতে হয়। পরিবারে আমরা যখন একই সাথে কোনো কাজ করি কিংবা খাবার খেতে বসি এ সময়ে বাবা কিংবা মা ধর্মগ্রন্থের ক্ষমার আদর্শের কাহিনি শুনিয়েও আমাদের বিবেকবোধে নাড়া দিতে পারেন।
| একক কাজ: তোমার পরিবারে ক্ষমার আদর্শ গঠনে মা কিংবা বাবা কী ভূমিকা রাখতে পারেন তা বুঝিয়ে লেখ। |
Read more